খাব্বাব হোসেন ত্বহা:
বাউলদের দ্বারা আল্লাহকে নিয়ে কটুক্তি ও ইসলাম অবমাননায় হাজার হাজার তৌহিদী জনতাকে সাথে নিয়ে মানিকগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের এক বিশাল "শানে তাওহীদ" মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বেলা ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বিতর্কিত বাউল আবুল সরকার কর্তৃক ধর্ম অবমাননার প্রতিবাদ এবং তৌহিদী জনতার ওপর চক্রান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে দেশের বরেণ্য আলেম-ওলামা ও হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলিম এই সমাবেশে যোগ দেন।
হেফাজতে ইসলাম মানিকগঞ্জের সভাপতি মুফতি শাহ্ মুহাম্মদ সাঈদ নূরের সভাপতিত্বে সম্মেলনে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামাগণ বক্তব্য রাখেন এবং কঠোর হুশিয়ারি দেন।
এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন—মধুপুর পীর সাহেব মাওলানা আব্দুল হামীদ, বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর মহিউদ্দিন রব্বানী, যুগ্ম মহাসচিব খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, ইসলামী গবেষক মুফতি রিজওয়ান রফিকী, হেফাজতের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী এবং ঢাকা উত্তর জোনের সভাপতি মাওলানা আলী আকবর কাসেমী, জেলা জামায়াতে ইসলামীর ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা জাকিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক ক্বারী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সহ জেলা ও উপজেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
মহাসম্মেলনে বিশেষভাবে উপস্থিত থেকে মধুপুর পীর সাহেব মাওলানা আব্দুল হামীদ তাঁর বক্তব্যে লালন তিরোধান দিবসকে জাতীয় দিবস থেকে অবিলম্বে বাতিল করার জোর দাবি জানান। এ সময় তিনি মানিকগঞ্জের ডিসি ও এসপিকে সরাসরি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, "ওলামায়ে কেরামকে হয়রানি করা হলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।"
এ সময় পীর সাহেব, মজলুম আলেম ও তৌহিদী জনতাকে হয়রানি করলে খোলা মাঠে বিচার করার হুশিয়ারী দেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "বাংলাদেশ আলেম-ওলামার দেশ, ওলীদের দেশ, তাবলীগের দেশ, ইসলামের দেশ। এখানে ইসলাম নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র চলবে না।"
হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী হুশিয়ারী দিয়ে বলেন, ইসলামের বিপক্ষের কোনো শক্তিকে ইমানদাররা প্রশ্রয় দিবে না। তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করেন, "প্রয়োজনে জনতা কাফন পড়ে আসবে, রক্তের মিছিল হবে লাশের মিছিল হবে তবুও আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুলের উপর কোনো অপমান সহ্য করা হবে না।" তিনি রাজপথে ইসলামের বিরোধী শক্তিকে মোকাবিলা করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এসময়, ইসলামী গবেষক মুফতি রিজওয়ান রফিকী বাউলদের নানা ভ্রান্ত ও ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক মতবাদ তুলে ধরে এর বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির আহ্বান জানান।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর মহিউদ্দিন রব্বানী, মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী সহ জেলার নেতৃবৃন্দ।
মহাসম্মেলনে দেশের তৌহিদী জনতার পক্ষ থেকে হেফাজতে ইসলাম মানিকগঞ্জের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুফতি আব্দুল হান্নান গুরুত্বপূর্ণ ৫ দফা দাবি পেশ করেন। দাবিগুলো হলো-
১. মহান আল্লাহ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও কুরআন-সুন্নাহ অবমাননায় সর্বোচ্চ শাস্তির আইন (মৃত্যুদণ্ড) পাশ করতে হবে।
২. ইসলামের নামে ভ্রান্ত বাউলদের ইসলাম বিরোধী অপতৎপরতা বন্ধ করতে হবে।
৩. ওরশ, মাজার, মেলা এবং পালাগানের আসরে যাবতীয় মাদকদ্রব্যের ব্যবহার ও অশ্লীলতা বন্ধ করতে হবে।
৪. ড. ইউনুস সরকার ঘোষিত ১৭ অক্টোবর লালন তিরোধান দিবস বাতিল করতে হবে।
৫. তাওহীদী জনতার বিরুদ্ধে করা হয়রানিমূলক মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
মহাসম্মেলন থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয় যে, তৌহিদী জনতা দেশের মাটিতে ইসলাম ও ধর্মীয় আদর্শের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র বা অবমাননা বরদাস্ত করবে না।
সম্মেলনের সমাপ্তি পর্বে, আবুল সরকার সহ আল্লাহ ও রাসূলের অবমাননাকারীদের বিচার না হলে দেশব্যাপী দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়।
বাউলদের দ্বারা আল্লাহকে নিয়ে কটুক্তি ও ইসলাম অবমাননায় হাজার হাজার তৌহিদী জনতাকে সাথে নিয়ে মানিকগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের এক বিশাল "শানে তাওহীদ" মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বেলা ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বিতর্কিত বাউল আবুল সরকার কর্তৃক ধর্ম অবমাননার প্রতিবাদ এবং তৌহিদী জনতার ওপর চক্রান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে দেশের বরেণ্য আলেম-ওলামা ও হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলিম এই সমাবেশে যোগ দেন।
হেফাজতে ইসলাম মানিকগঞ্জের সভাপতি মুফতি শাহ্ মুহাম্মদ সাঈদ নূরের সভাপতিত্বে সম্মেলনে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামাগণ বক্তব্য রাখেন এবং কঠোর হুশিয়ারি দেন।
এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন—মধুপুর পীর সাহেব মাওলানা আব্দুল হামীদ, বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর মহিউদ্দিন রব্বানী, যুগ্ম মহাসচিব খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, ইসলামী গবেষক মুফতি রিজওয়ান রফিকী, হেফাজতের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী এবং ঢাকা উত্তর জোনের সভাপতি মাওলানা আলী আকবর কাসেমী, জেলা জামায়াতে ইসলামীর ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা জাকিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক ক্বারী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সহ জেলা ও উপজেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
মহাসম্মেলনে বিশেষভাবে উপস্থিত থেকে মধুপুর পীর সাহেব মাওলানা আব্দুল হামীদ তাঁর বক্তব্যে লালন তিরোধান দিবসকে জাতীয় দিবস থেকে অবিলম্বে বাতিল করার জোর দাবি জানান। এ সময় তিনি মানিকগঞ্জের ডিসি ও এসপিকে সরাসরি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, "ওলামায়ে কেরামকে হয়রানি করা হলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।"
এ সময় পীর সাহেব, মজলুম আলেম ও তৌহিদী জনতাকে হয়রানি করলে খোলা মাঠে বিচার করার হুশিয়ারী দেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "বাংলাদেশ আলেম-ওলামার দেশ, ওলীদের দেশ, তাবলীগের দেশ, ইসলামের দেশ। এখানে ইসলাম নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র চলবে না।"
হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী হুশিয়ারী দিয়ে বলেন, ইসলামের বিপক্ষের কোনো শক্তিকে ইমানদাররা প্রশ্রয় দিবে না। তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করেন, "প্রয়োজনে জনতা কাফন পড়ে আসবে, রক্তের মিছিল হবে লাশের মিছিল হবে তবুও আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুলের উপর কোনো অপমান সহ্য করা হবে না।" তিনি রাজপথে ইসলামের বিরোধী শক্তিকে মোকাবিলা করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এসময়, ইসলামী গবেষক মুফতি রিজওয়ান রফিকী বাউলদের নানা ভ্রান্ত ও ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক মতবাদ তুলে ধরে এর বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির আহ্বান জানান।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর মহিউদ্দিন রব্বানী, মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী সহ জেলার নেতৃবৃন্দ।
মহাসম্মেলনে দেশের তৌহিদী জনতার পক্ষ থেকে হেফাজতে ইসলাম মানিকগঞ্জের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুফতি আব্দুল হান্নান গুরুত্বপূর্ণ ৫ দফা দাবি পেশ করেন। দাবিগুলো হলো-
১. মহান আল্লাহ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও কুরআন-সুন্নাহ অবমাননায় সর্বোচ্চ শাস্তির আইন (মৃত্যুদণ্ড) পাশ করতে হবে।
২. ইসলামের নামে ভ্রান্ত বাউলদের ইসলাম বিরোধী অপতৎপরতা বন্ধ করতে হবে।
৩. ওরশ, মাজার, মেলা এবং পালাগানের আসরে যাবতীয় মাদকদ্রব্যের ব্যবহার ও অশ্লীলতা বন্ধ করতে হবে।
৪. ড. ইউনুস সরকার ঘোষিত ১৭ অক্টোবর লালন তিরোধান দিবস বাতিল করতে হবে।
৫. তাওহীদী জনতার বিরুদ্ধে করা হয়রানিমূলক মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
মহাসম্মেলন থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয় যে, তৌহিদী জনতা দেশের মাটিতে ইসলাম ও ধর্মীয় আদর্শের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র বা অবমাননা বরদাস্ত করবে না।
সম্মেলনের সমাপ্তি পর্বে, আবুল সরকার সহ আল্লাহ ও রাসূলের অবমাননাকারীদের বিচার না হলে দেশব্যাপী দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়।
Comments
Post a Comment