সত্য সংবাদ ডেস্ক:
নওগাঁর সাপাহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) শ্যামলী রানী বর্মণের বিরুদ্ধে বাস চালককে কার্যালয়ে ডেকে নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তে মাঠে নেমেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম)-কে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে 'পুলিশ মিডিয়া গ্রুপ' নামক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এক বিবৃতিতে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এই তথ্য জানান।
বিবৃতিতে জানানো হয়, 'গত ৪ জানুয়ারি নওগাঁ জেলার সাপাহার সার্কেলের এএসপি এবং একজন বাসচালকের মধ্যে সংঘটিত অপ্রীতিকর এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সংগঠিত হয় মর্মে বিভিন্ন মিডিয়ায় গত ৬ তারিখ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরই এ সংক্রান্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম)-এর নেতৃত্বে ৩ সদস্য বিশিষ্ট অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।'
হিমাচল পরিবহনের চালক বাদল ও সুপারভাইজার সিয়ামের অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিদিনের মতো 'হিমাচল' পরিবহনের একটি বাস ৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টায় নওগাঁর সাপাহার থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ওই বাসে যাত্রী হয়ে উঠেন সাপাহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানী বর্মণের স্বামী কলেজশিক্ষক জয়ন্ত বর্মণ। তবে তিনি কোনও টিকিট না কেটেই নামতে চেয়েছিলেন ধানসুরা নামক স্থানে। বাসটি দিঘার মোড়ে পৌঁছালে জয়ন্ত বর্মণ যে সিটে বসেছিলেন সেই সিটের যাত্রী বাসে উঠেন। এ সময় সিটটি ছেড়েদিতে অনুরোধ করেন সুপারভাইজার সিয়াম। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন জয়ন্ত বর্মণ। বলেন, তিনি সার্কেল এসপির স্বামী। সুপারভাইজারকে বিভিন্ন কথা বলে হুমকি দিতে শুরু করেন জয়ন্ত। এক পর্যায়ে চালকের সঙ্গেও চলে তুমুল বাকবিতণ্ডা। এরপর নির্ধারিত গন্তব্য ধানসুরায় নেমেযান তিনি।
এরপর ওইদিন রাত ১০টায় 'হিমাচল' পরিবহনের ওই বাস পুনরায় সাপাহারে ফিরলে চালককে বাসস্ট্যান্ড থেকে অফিসে ডেকে আনেন শ্যামলী রানী বর্মণ। সেখানে পৌঁছানোর পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়া হয়। স্বামী-স্ত্রী মিলে বেধড়ক মারধর করেন চালক বাদলকে। পরে আহত অবস্থায় বাদলকে রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে হয় বলেও দাবি করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানী বর্মণের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি রংচং মাখিয়ে বড় করা হয়েছে। তার স্বামীর সঙ্গে বাসের সুপারভাইজার ও চালক দুর্ব্যবহার করেছিলেন। রাতে তিনি তাদের সার্কেল অফিসে ডেকে নেন। সেখানে চালক ও সুপারভাইজার ভুল স্বীকার করেন। পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। পুরো ঘটনাটি ভুল বোঝাবুঝি থেকেই হয়েছে বলে জানান তিনি।
নওগাঁর সাপাহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) শ্যামলী রানী বর্মণের বিরুদ্ধে বাস চালককে কার্যালয়ে ডেকে নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তে মাঠে নেমেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম)-কে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে 'পুলিশ মিডিয়া গ্রুপ' নামক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এক বিবৃতিতে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এই তথ্য জানান।
বিবৃতিতে জানানো হয়, 'গত ৪ জানুয়ারি নওগাঁ জেলার সাপাহার সার্কেলের এএসপি এবং একজন বাসচালকের মধ্যে সংঘটিত অপ্রীতিকর এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সংগঠিত হয় মর্মে বিভিন্ন মিডিয়ায় গত ৬ তারিখ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরই এ সংক্রান্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম)-এর নেতৃত্বে ৩ সদস্য বিশিষ্ট অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।'
হিমাচল পরিবহনের চালক বাদল ও সুপারভাইজার সিয়ামের অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিদিনের মতো 'হিমাচল' পরিবহনের একটি বাস ৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টায় নওগাঁর সাপাহার থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ওই বাসে যাত্রী হয়ে উঠেন সাপাহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানী বর্মণের স্বামী কলেজশিক্ষক জয়ন্ত বর্মণ। তবে তিনি কোনও টিকিট না কেটেই নামতে চেয়েছিলেন ধানসুরা নামক স্থানে। বাসটি দিঘার মোড়ে পৌঁছালে জয়ন্ত বর্মণ যে সিটে বসেছিলেন সেই সিটের যাত্রী বাসে উঠেন। এ সময় সিটটি ছেড়েদিতে অনুরোধ করেন সুপারভাইজার সিয়াম। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন জয়ন্ত বর্মণ। বলেন, তিনি সার্কেল এসপির স্বামী। সুপারভাইজারকে বিভিন্ন কথা বলে হুমকি দিতে শুরু করেন জয়ন্ত। এক পর্যায়ে চালকের সঙ্গেও চলে তুমুল বাকবিতণ্ডা। এরপর নির্ধারিত গন্তব্য ধানসুরায় নেমেযান তিনি।
এরপর ওইদিন রাত ১০টায় 'হিমাচল' পরিবহনের ওই বাস পুনরায় সাপাহারে ফিরলে চালককে বাসস্ট্যান্ড থেকে অফিসে ডেকে আনেন শ্যামলী রানী বর্মণ। সেখানে পৌঁছানোর পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়া হয়। স্বামী-স্ত্রী মিলে বেধড়ক মারধর করেন চালক বাদলকে। পরে আহত অবস্থায় বাদলকে রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে হয় বলেও দাবি করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানী বর্মণের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি রংচং মাখিয়ে বড় করা হয়েছে। তার স্বামীর সঙ্গে বাসের সুপারভাইজার ও চালক দুর্ব্যবহার করেছিলেন। রাতে তিনি তাদের সার্কেল অফিসে ডেকে নেন। সেখানে চালক ও সুপারভাইজার ভুল স্বীকার করেন। পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। পুরো ঘটনাটি ভুল বোঝাবুঝি থেকেই হয়েছে বলে জানান তিনি।
Comments
Post a Comment