সত্য সংবাদ ডেস্ক:
ভারতের দিল্লির রামলিলা ময়দান এলাকায় একটি মসজিদ ও কবরস্থান সংলগ্ন স্থাপনা অবৈধ বলে অভিযোগ এনে ধ্বংস করেছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে, ওই স্থাপনাগুলো অবৈধ নয় বলে জানিয়েছে মসজিদের ব্যবস্থাপনা কমিটি। এমন পরিস্থিতিতে এলাকায় ব্যাপকভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (৭ জানুয়ারি) ভোরে রামলিলা ময়দানের কাছে তুর্কমান গেটের ফয়েজ-ই-ইলাহি মসজিদের আশেপাশে ৩০০ কর্মীর সহায়তায় ও ১৭টি বুলডোজার ব্যবহার করে ভাঙন অভিযান চালায় দিল্লি পৌর কর্পোরেশন (এমসিডি)। এর জের ধরে ওই এলাকায় পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় সংঘর্ষ। এতে ৫ পুলিশ আহত হন।
দিল্লি পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, উচ্ছেদ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুরো এলাকা নয়টি জোনে ভাগ করা হয়। প্রতিটি জোনের দায়িত্বে ছিলেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসিপি) পদমর্যাদার একজন করে কর্মকর্তা। সংবেদনশীল সব পয়েন্টে মোতায়েন করা হয় পর্যাপ্ত পুলিশ।
উচ্ছেদ অভিযানের আগে শান্তি বজায় রাখতে আমান কমিটি ও স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভাও করে প্রশাসন। সম্ভাব্য কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সব ধরনের প্রতিরোধমূলক ও আস্থা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল বলেও জানায় পুলিশ।
তবে কর্মকর্তাদের অভিযোগ, অভিযানের সময় 'কয়েকজন দুষ্কৃতকারী' ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করে এবং পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পুলিশ জানায়, পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ 'পরিমিত ও ন্যূনতম বলপ্রয়োগ' করে এবং দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনে।
সেন্ট্রাল রেঞ্জের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মধুর ভার্মা এক বিবৃতিতে বলেন, 'উচ্ছেদ চলাকালে কিছু দুষ্কৃতকারী পাথর নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করে। তবে সংযত ও নিয়ন্ত্রিত পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং বড় কোনো উত্তেজনা সৃষ্টি হতে দেয়া হয়নি।'
এদিকে, এই উচ্ছেদ অভিযানের বিরুদ্ধে মসজিদের ব্যবস্থাপনা কমিটি আদালতে একটি আবেদন দায়ের করেছে। মসজিদ সাইয়্যেদ এলাহির পরিচালনা কমিটি এমসিডির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে জানায়, রামলিলা ময়দানে অবস্থিত মসজিদ ও কবরস্থানের সংলগ্ন জমি থেকে কথিত অবৈধ স্থাপনা সরানোর সিদ্ধান্ত তারা মানে না।
এমসিডি গত ২২ ডিসেম্বর একটি নোটিশ জারি করে জানায়, ০.১৯৫ একরের বেশি জমিতে নির্মিত সব স্থাপনা উচ্ছেদের আওতায় পড়বে। সিটি করপোরেশনের দাবি, দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের ম্যানেজিং কমিটি ওই জমির মালিকানা বা বৈধ দখলের পক্ষে কোনো নথিপত্র দেখাতে পারেনি। উল্লেখ্য, ০.১৯৫ একর জমিতেই মূল মসজিদটি অবস্থিত।
এর আগে গত নভেম্বরে হাইকোর্ট তুর্কমান গেট সংলগ্ন রামলিলা গ্রাউন্ড এলাকায় প্রায় ৩৮ হাজার ৯৪০ বর্গফুট অবৈধ দখল তিন মাসের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতেই এমসিডি ও দিল্লি পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে।
ভারতের দিল্লির রামলিলা ময়দান এলাকায় একটি মসজিদ ও কবরস্থান সংলগ্ন স্থাপনা অবৈধ বলে অভিযোগ এনে ধ্বংস করেছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে, ওই স্থাপনাগুলো অবৈধ নয় বলে জানিয়েছে মসজিদের ব্যবস্থাপনা কমিটি। এমন পরিস্থিতিতে এলাকায় ব্যাপকভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (৭ জানুয়ারি) ভোরে রামলিলা ময়দানের কাছে তুর্কমান গেটের ফয়েজ-ই-ইলাহি মসজিদের আশেপাশে ৩০০ কর্মীর সহায়তায় ও ১৭টি বুলডোজার ব্যবহার করে ভাঙন অভিযান চালায় দিল্লি পৌর কর্পোরেশন (এমসিডি)। এর জের ধরে ওই এলাকায় পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় সংঘর্ষ। এতে ৫ পুলিশ আহত হন।
দিল্লি পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, উচ্ছেদ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুরো এলাকা নয়টি জোনে ভাগ করা হয়। প্রতিটি জোনের দায়িত্বে ছিলেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসিপি) পদমর্যাদার একজন করে কর্মকর্তা। সংবেদনশীল সব পয়েন্টে মোতায়েন করা হয় পর্যাপ্ত পুলিশ।
উচ্ছেদ অভিযানের আগে শান্তি বজায় রাখতে আমান কমিটি ও স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভাও করে প্রশাসন। সম্ভাব্য কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সব ধরনের প্রতিরোধমূলক ও আস্থা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল বলেও জানায় পুলিশ।
তবে কর্মকর্তাদের অভিযোগ, অভিযানের সময় 'কয়েকজন দুষ্কৃতকারী' ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করে এবং পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পুলিশ জানায়, পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ 'পরিমিত ও ন্যূনতম বলপ্রয়োগ' করে এবং দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনে।
সেন্ট্রাল রেঞ্জের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মধুর ভার্মা এক বিবৃতিতে বলেন, 'উচ্ছেদ চলাকালে কিছু দুষ্কৃতকারী পাথর নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করে। তবে সংযত ও নিয়ন্ত্রিত পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং বড় কোনো উত্তেজনা সৃষ্টি হতে দেয়া হয়নি।'
এদিকে, এই উচ্ছেদ অভিযানের বিরুদ্ধে মসজিদের ব্যবস্থাপনা কমিটি আদালতে একটি আবেদন দায়ের করেছে। মসজিদ সাইয়্যেদ এলাহির পরিচালনা কমিটি এমসিডির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে জানায়, রামলিলা ময়দানে অবস্থিত মসজিদ ও কবরস্থানের সংলগ্ন জমি থেকে কথিত অবৈধ স্থাপনা সরানোর সিদ্ধান্ত তারা মানে না।
এমসিডি গত ২২ ডিসেম্বর একটি নোটিশ জারি করে জানায়, ০.১৯৫ একরের বেশি জমিতে নির্মিত সব স্থাপনা উচ্ছেদের আওতায় পড়বে। সিটি করপোরেশনের দাবি, দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের ম্যানেজিং কমিটি ওই জমির মালিকানা বা বৈধ দখলের পক্ষে কোনো নথিপত্র দেখাতে পারেনি। উল্লেখ্য, ০.১৯৫ একর জমিতেই মূল মসজিদটি অবস্থিত।
এর আগে গত নভেম্বরে হাইকোর্ট তুর্কমান গেট সংলগ্ন রামলিলা গ্রাউন্ড এলাকায় প্রায় ৩৮ হাজার ৯৪০ বর্গফুট অবৈধ দখল তিন মাসের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতেই এমসিডি ও দিল্লি পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে।
Comments
Post a Comment